নি’র্বাচনের ছুটি পাবেন না যেসব সরকারি চাকরিজীবীরা

 নি’র্বাচনের ছুটি পাবেন না যেসব সরকারি চাকরিজীবীরা 



আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত অনুমোদন হয়েছে আজ উপদেষ্টা পরিষদের বেঠকে। পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এর আগে তফসিল ঘোষণার সময়ই জানানো হয়েছিল, নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সাধারণ ছুটি থাকবে।


এদিকে নির্বাচনের পরের দুই দিন (শুক্র ও শনিবার) সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি। সেই হিসেবে টানা ৩ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।তবে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এই লম্বা ছুটি ভোগ করতে পারছেন না। নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত থাকায় অনেক কর্মকর্তাই এই ছুটি বঞ্চিত হবেন।


সংবাদ সম্মেলনে প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে, যা আগেই ঘোষণা করা হয়। আজকে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ও ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক ও কর্মচারীদের ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে। শ্রমিকরা তিন দিন ছুটি পাবেন।’


তবে শ্রমিকদের ছুটির বিষয়য়ে এখনো সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কোনো তথ্য জানায়নি। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বেশ কিছু পর্যায়ে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি অর্গানোগ্রাম অনুসরণ করা হয়। এতে সবার ওপরে থাকেন রিটার্নিং অফিসার।


রিটার্নিং অফিসারদের তত্ত্বাবধানেই সার্বিক ভোটপ্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। তার পরেই থাকেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। তিনি মূলত রিটার্নিং অফিসার সহায়ক হিসেবে কাজ করেন। অর্গানোগ্রামের তৃতীয় অবস্থানে থাকেন প্রিজাইডিং অফিসার। ভোটকেন্দ্রের সার্বিক দায়িত্বে থাকেন তিনি। আর প্রিজাইডিং অফিসারের অধীনে


থাকেন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, যার অধীনে থাকেন দুজন করে পোলিং অফিসার। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রে থাকবে। এসব ভোটকেন্দ্র দায়িত্ব পালন করবেন সরকারি চাকরিজীবী ও শিক্ষকরা। তাই নির্বাচন উপলক্ষে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি ভোগ করতে পারবেন না তারা।


এ ছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা


১. জরুরি পরিষেবা (Emergency Services): বিদ্যুৎ (Electricity), পানি (Water), গ্যাস ও জ্বালানি (Gas and Fuel), ফায়ার সার্ভিস (Fire Service), এবং বন্দরগুলোর কার্যক্রম (Port Activities)।


২. যোগাযোগ ও পরিচ্ছন্নতা: টেলিফোন ও ইন্টারনেট (Telephone and Internet), ডাকসেবা (Postal Services), পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট যানবাহন।


৩. চিকিৎসাসেবা (Healthcare Services): সকল হাসপাতাল (Hospitals), জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন।


৪. জরুরি অফিস: যেসব অফিসের কাজ সরাসরি জরুরি পরিষেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

যারা পর্নো ভিডিও দেখে—সত্য কথা শুনতে চাইলে পড়ুন, না চাইলে স্ক্রল করে চলে যান।

জুলাইযো’দ্ধা হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর স’শ’স্ত্র হা’ম’লা

৯২ জন নি’হ’ত শুধু রাজধানী উত্তরায়-ই